ভারতে চলন্ত ট্রেনে মাদরাসা ছাত্রের দাড়ি ধরে টানাহেঁচড়া ও জোরপূর্বক মদ পান
ভারতের উত্তর প্রদেশে চলন্ত ট্রেনে দারুল উলুম দেওবন্দের এক মাদরাসা ছাত্রকে নির্মমভাবে মারধর, সাম্প্রদায়িক গালিগালাজ এবং জোরপূর্বক মদ খাওয়ানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে একদল বখাটে যুবকের বিরুদ্ধে।ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মোহাম্মদ মুনতাজির মিরাটের সারধনা এলাকার দেওলি খেড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাহারানপুর জেলার বিখ্যাত ‘দারুল উলুম দেওবন্দ’-এর ছাত্র।
শনিবার সন্ধ্যায় মিরাট ক্যান্টনমেন্ট থেকে দেওবন্দগামী একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে দৌরালা ও সাকৌটি স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।অভিযোগে বলা হয়, মুনতাজিরের দাড়ি এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাক দেখে কোচে মদপানরত ১০-১২ জনের একটি বখাটে গ্রুপ তাকে লক্ষ্যবস্তু বানায়।
অভিযোগ মতে, হামলাকারীরা মুনতাজিরের দাড়ি ধরে টানাহেঁচড়া করে, সাম্প্রদায়িক গালিগালাজ দেয় এবং তাকে জোর করে মদ গেলাতে চেষ্টা করে। এতে বাধা দিলে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়।আত্মরক্ষার্থে মুনতাজির অন্য কোচে যাওয়ার চেষ্টা করলে যুবকরা তার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। দুজন যুবক তাকে চলন্ত ট্রেনের জানালা দিয়ে বাইরে ফেলে দেয়ার চেষ্টা করে।
আক্রান্ত ছাত্রের চিৎকার শুনে ট্রেনের অন্যান্য যাত্রীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। অভিযুক্তরা সাকৌটি স্টেশনে নেমে যাওয়ার সময় তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।খাতৌলি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ সাকৌটি ও খাতৌলি স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে অভিযুক্তদের শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ও রেলওয়ে আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
…..
চলন্ত ট্রেনে উন্মুক্ত মদপান ও জঘন্য নির্যাতনের ঘটনা ঘটলেও সেখানে রেলওয়ে পুলিশ বা আরপিএফ-এর কোনো উপস্থিতি না থাকায় রেল নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে।ঘটনার খবর পেয়ে মিম (এআইএমআইএম)-এর জেলা সভাপতি ইমরান কাসমি সমর্থকদের নিয়ে খাতৌলি থানায় উপস্থিত হন এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।










Add Comment