মন্ত্রিপরিষদে সম্ভাব্য পরিবর্তন ও সম্প্রসারণ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিসভা নতুন করে সাজাতে পারেন বলে বিএনপির বিভিন্ন সূত্রে আভাস পাওয়া গেছে। এ প্রক্রিয়ায় বর্তমান মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য বাদ পড়ার পাশাপাশি নতুন কয়েকজন নেতার অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে।
বিশেষ করে বরিশাল অঞ্চলে এ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে এ অঞ্চলের ২১টি আসনের মধ্যে ১৮টিতে জয় পেয়েছে বিএনপি ও তাদের সমমনা জোটের প্রার্থীরা। ফলে মন্ত্রিসভায় বরিশাল বিভাগের প্রতিনিধিত্ব আরও বাড়ানোর দাবি তুলছেন স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
বর্তমান মন্ত্রিসভায় বরিশাল অঞ্চলের একজন মন্ত্রী ও তিনজন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। এছাড়া জাতীয় সংসদের স্পিকার, চিফ হুইপ এবং প্রধানমন্ত্রীর একজন বিশেষ সহকারীও এ অঞ্চলের প্রতিনিধি। তারপরও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করছেন, নির্বাচনী ফলাফলের তুলনায় তাদের প্রতিনিধিত্ব এখনো পর্যাপ্ত নয়।
সম্ভাব্য নতুন মুখ হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আন্দালিব রহমান পার্থ এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন।
এছাড়া বিএনপির উপদেষ্টা ও বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার, দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আইনজীবী নেতা জয়নাল আবেদিন, বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন খান এবং যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন-এর নামও আলোচনায় রয়েছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, বরিশাল অঞ্চলের উন্নয়ন, যোগাযোগ অবকাঠামো, শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির স্বার্থে এ অঞ্চলের অভিজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। বিশেষ করে পায়রা বন্দর, ভোলা-বরিশাল যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং উপকূলীয় উন্নয়ন প্রকল্পগুলো এগিয়ে নিতে শক্তিশালী প্রতিনিধিত্ব প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন।










Add Comment