স্বাস্থ্য ও জন সচেতনা

চীনের রাষ্ট্রদূতের প্রত্যাশা শিগগিরই শুরু হবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা

বাইরের কোনো চাপ বা তৃতীয় পক্ষ চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারবে না। নতুন সরকার খুব শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেন, তিস্তা প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলমান রয়েছে। এটি শিগগিরই শুরু হবে, এটি আমার অন্যতম প্রত্যাশা।

রোববার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি। ইয়াও ওয়েন আরও বলেন, চীন বাংলাদেশের নতুন সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমর্থন জানাচ্ছে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার করেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথম বৈঠক সম্পর্কে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, বৈঠকটি আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উভয় পক্ষ চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গভীর ও বাস্তবসম্মত আলোচনায় অংশ নিয়েছে।
ইয়াও ওয়েন আরও বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ১৪তম সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য এক বিজয় এবং দেশের জনগণের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। চীন বাংলাদেশের জন্য একটি সার্বিক, কৌশলগত ও সহযোগী অংশীদার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সুষ্ঠু শাসন নিশ্চিত করতে চীন সমর্থন প্রকাশ করেছে। চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পিতা, প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং পরবর্তীতে তা আরও দৃঢ় হয় তার মায়ের প্রধানমন্ত্রিত্বকালে। এই ঐতিহ্যকে আরও এগিয়ে নিতে চীন প্রস্তুত।
এছাড়াও তিনি জানান, বাংলাদেশের আত্মনির্ভরশীল, সুরক্ষিত ও গণতান্ত্রিক উন্নয়নের জন্য চাকরির সুযোগ সৃষ্টি, বিনিয়োগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১