Templates by BIGtheme NET
ব্রেকিং নিউজ ❯
Home / জাতীয় / ২ মানবাধিকার কর্মীর নিঃস্বার্থ চেষ্টায় ২ ফাঁসির আসামী দুবাই কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরল

২ মানবাধিকার কর্মীর নিঃস্বার্থ চেষ্টায় ২ ফাঁসির আসামী দুবাই কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরল

ইঞ্জিনিয়র শারমিন সুলতানা : ২ মানবাধিকার কর্মীর নিঃস্বার্থ চেষ্টায় ২ ফাঁসির আসামী দুবাই কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরল। Select Files তাঁরা মিয়া কাঁপা কাঁপা কন্ঠে মোবাইলে বলল : স্যার আইছি। আপনারার দোয়ায় বাংলাদেশে ফিরে আইছি, আপনারা মানুষ নও ফেরেস্তা। মোহাম্মদ আলী আইবো, অনেক কষ্ট কষ্টের কথা বলমু। কথা গুলি জানাচ্ছিল সদ্য ফাসির সাজা থেকে মুক্ত তারা মিয়া। ২০১৩ সালে চাকুরী নিয়ে মোহাম্মদ তারা মিয়া ও মোহাম্মদ আলী দুবাই যায়। উভয়ে একটি কোম্পানীতে লেবার হিসেবে কাজ করত। একটি অনাকাংঙ্খিত কারণে মানুষ হত্যার মত জঘন্য মামলা তারা দোষী প্রমানিত হলে-সে দেশের আদালতে। পরবর্তীতে তাদের ২ জনকে আল আইন কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্ধি…

Review Overview

User Rating: Be the first one !
0

ইঞ্জিনিয়র শারমিন সুলতানা : ২ মানবাধিকার কর্মীর নিঃস্বার্থ চেষ্টায় ২ ফাঁসির আসামী দুবাই কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরল।

MuzahidSeleAAAct Files

তাঁরা মিয়া কাঁপা কাঁপা কন্ঠে মোবাইলে বলল : স্যার আইছি। আপনারার দোয়ায় বাংলাদেশে ফিরে আইছি, আপনারা মানুষ নও ফেরেস্তা। মোহাম্মদ আলী আইবো, অনেক কষ্ট কষ্টের কথা বলমু। কথা গুলি জানাচ্ছিল সদ্য ফাসির সাজা থেকে মুক্ত তারা মিয়া। ২০১৩ সালে চাকুরী নিয়ে মোহাম্মদ তারা মিয়া ও মোহাম্মদ আলী দুবাই যায়। উভয়ে একটি কোম্পানীতে লেবার হিসেবে কাজ করত। একটি অনাকাংঙ্খিত কারণে মানুষ হত্যার মত জঘন্য মামলা তারা দোষী প্রমানিত হলে-সে দেশের আদালতে। পরবর্তীতে তাদের ২ জনকে আল আইন কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্ধি রাখা হয়। আইন নিজেস্ব গতিতে চলতে থাকে। ২০১৫ সালে তাদের বিরুদ্ধে ফাসির আদেশ দেয় আদালত।

ফাসির আসামী তারা মিয়া ও মোহাম্মদ আলীর জন্য আদালত ফাসির বদলে অর্থ ও ক্ষমা ভিক্ষার সুযোগ দেয়। ক্ষমা ভিক্ষা চাওয়ার জন্য প্রয়োজন হয় প্রচুর টাকার। তারা মিয়া ও মোহাম্মদ আলীর এত টাকা ছিল না, তবে যে সম্পদটুকু ছিল সেটি এলাকার ধনীদের কাছে বিক্রি করে দেয় পরিবার পরিজন। ২০১৫ সালের ডিসেম্বর ১ জন দালালের খপ্পরে পড়ে শেষ হয় প্রায় ৬/৭ লাখ টাকা। ২০১৬, ২০১৭ সাল ঐ দালালের কারণে ঘরে বসে থাকে ২টি পরিবার। পারডন লেটার বা ক্ষমা ভিক্ষাপত্র আদালতে আর যায় না, নিরুপয় পরিবার। শেষ  পর্যন্ত ২০১৮ সালে প্রবাসী কল্যানে এসে পরিবার পরিজন অভিযোগ দায়ের করে দালালের বিরুদ্ধে। প্রবাসী কল্যানে অভিযোগে দালাল চক্রের সন্ধান পাওয়া গেল না, সর্বশেষ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একজন পরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম-তার পরিচিত এবং আস্থাভাজন মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব, আইনজ্ঞ ড. মোঃ মোজাহেদুল ইসলামের কাছে পাঠান। ঐ অফিসের একজন মানব দরদী কর্মকর্তা মোঃ নুরুল ইসলাম নুরু-২টি পরিবারের প্রতারণা ও মামলার আদপ্রান্ত খুলে বলেন-মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী প্রধান ড. মোঃ মোজাহেদুল ইসলাম মুজাহিদের কাছে। তিনি বলেন-দালালের খপ্পরের পর ও এই ২টি পরিবার একজন আইনজীবীকেও ২ লক্ষ টাকা দিয়েছে। কিন্তু তিনি প্রয়োজনীয় কোন কাগজপত্র আমাদের দপ্তরে দাখিল করতে পারেন নি। সুতরাং আপনি যদি বিনা পয়সায় একান্ত মানবিক কারণে কাজটি করে দেন, তাহলে স্যার শুধু নয়, ২টি পরিবার এবং আমরা কৃতজ্ঞ হত কারণ এদের কান্না দেখার কেউ নেই।

প্রয়োজন আইন মানে না। বাংলাদেশ এম্ব্যাসী দুবাই থেকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি এলো দ্রুত ২ ফাসির আসামীর পারডন লেটার বা ক্ষমাপত্র লাগবে, দ্রুত ক্ষাপত্র না এলে শিঘ্রই শাস্তির আদেশ কার্যকরী হবে।

মৃত্যুদন্ডের আসামীদ্বয় কারা ছিল : সিলেট জেলার জৈন্তাপুর থানার উমানপুরের মোহাম্মদ আলী (পাসপোর্ট নং-পি-০০০৫৪৩১) এবং শিকাখাঁ গ্রামের তেরা মিয়া (পাসপোর্ট নং-জেড ০৭২০০৭৮) এবং সালাউদ্দিন, পিতা-আব্দুল বারেক, হাজিরহাট, লাল মোহন, ভোলা নামীয় বাংলাদেশী নাগরিককে হত্যার অপরাধ।

কিভাবে বাঁচল মৃত্যুদন্ডের আসামীদ্বয় : ড. মোঃ জিয়াউদ্দিন (প্রশাসন ও উন্নয়ন), প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠির অংশ বিশেষ ‘‘শারজাহের শরীয়ত আদালতের আদেশ অনুযায়ী অভিযুক্তদের মৃত্যুদন্ডপূর্বক তা কার্যকর হবে কিনা-সে বিষয়ে আগামী ৩০/১১/২০১৬ তারিখের পূর্বে অবহিতকরণের মাধ্যমে শারজাহ শরীয়াহ আদালতেকে কনস্যুলেট জেনারেল অব বাংলাদেশ, দুবাই, ইউএই-কে জানাতে হবে’’। ড. মোঃ মোজাহেদুল ইসলাম মুজাহিদ মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইট্স মুভমেন্ট-এর নির্বাচিত আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম গাজ্জালীকে সেন্ট্রাল জেল, শারজাহ শরিয়াহ আদালত এবং দুবাই বাংলাদেশের দূতাবাসে যোগাযোগের জন্য তাৎক্ষনিক যোগাযেগের জন্য অনুরোধ করা হলো।

তারা তারা-০১

ইঞ্জিনিয়র শারমিন সুলতানা : ২ মানবাধিকার কর্মীর নিঃস্বার্থ চেষ্টায় ২ ফাঁসির আসামী দুবাই কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরল। Select Files তাঁরা মিয়া কাঁপা কাঁপা কন্ঠে মোবাইলে বলল : স্যার আইছি। আপনারার দোয়ায় বাংলাদেশে ফিরে আইছি, আপনারা মানুষ নও ফেরেস্তা। মোহাম্মদ আলী আইবো, অনেক কষ্ট কষ্টের কথা বলমু। কথা গুলি জানাচ্ছিল সদ্য ফাসির সাজা থেকে মুক্ত তারা মিয়া। ২০১৩ সালে চাকুরী নিয়ে মোহাম্মদ তারা মিয়া ও মোহাম্মদ আলী দুবাই যায়। উভয়ে একটি কোম্পানীতে লেবার হিসেবে কাজ করত। একটি অনাকাংঙ্খিত কারণে মানুষ হত্যার মত জঘন্য মামলা তারা দোষী প্রমানিত হলে-সে দেশের আদালতে। পরবর্তীতে তাদের ২ জনকে আল আইন কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্ধি…

Review Overview

User Rating: Be the first one !
0

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful