Templates by BIGtheme NET

শিশুদের নিয়ে বই মেলাতেও ঘুরে আসুন

মিজানুর রহমান আজহারী

ফেসবুক ডায়েরি ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:৪৯

AddThis Sharing ButtonsShare to FacebookShare to TwitterShare to GmailShare to WhatsAppShare to MessengerShare to PrintFriendlyShare to More722

যাদুঘর, চিড়িয়াখানা এবং শিশুপার্কে যেভাবে শিশুদেরকে নিয়ে ঘুরে বেড়ান, ঠিক তেমনিভাবে শিশুদেরকে নিয়ে একুশের বইমেলাতেও ঘুরে আসুন। মনের আনন্দে ওরা বিভিন্ন স্টলে ঘুড়ে বেড়াবে আর চোখ বুলাবে মজার মজার ও রংবেরঙের সব বইয়ের পাতায়। কিনবে নানাধরনের শিশুতোষ বই। বই মেলায় বেড়ানোর এ মূহুর্তগুলো সুন্দর স্মৃতি হয়ে থাকবে ওদের জীবনে। গল্প, কবিতা এবং সাইন্স ফিকশনের পাশাপাশি ওদের কিনে দিন গল্পে গল্পে নবী জীবনী, হারানো মুসলিম ঐতিহ্যের ইতিকথা, শিশুদের ইমান সিরিজ ও আমি হতে চাই সিরিজের মত বইগুলো। ওরা আলোকিত মানুষ হয়ে গড়ে উঠবে এগুলো পড়ে।

পৃথিবীর অনেক দেশে দেখেছি, অবসরে লোকজন নতুন নতুন বই পড়ে। সাগরতীরে সানবার্ণের সময়, বাসস্টপেজে বাসের জন্য অপেক্ষার সময় কিংবা মেট্রোরেলে বসে অথবা দাড়িয়ে লোকজন বই পড়ছে। সেল্ফ ডেভেলপমেন্টের জন্য এই বই পড়ার অভ্যেসটা খুব জরুরী।

ছোটবেলা থেকেই বই প্রেমী ও জ্ঞান পিপাসু করে গড়ে তুলতে, এখন থেকেই সোনামনিদের হৃদয়ে জ্ঞানার্জনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে। জানার এবং শেখার নেশা যেন ওদের তাড়া করে ফেরে সব সময়। ওরা যা শিখবে, ভালোবেসে শিখবে। ওরা যা জানবে, গভীরভাবে জানবে। ওরা যা শুনবে, আগ্রহ ভরে শুনবে। মনের আনন্দে যেন ওরা সব শিখতে পারে। আনন্দ আর উৎসাহ নিয়ে ওরা যা শিখবে সেটাই আসল শিক্ষা। মনে রাখবেন, জোর করে বিদ্যা চাপিয়ে দেয়ার নাম শিক্ষা নয়, শিক্ষা হল আপনার সন্তানের স্বতঃস্ফূর্ত আত্মবিকাশ। বইমেলা শেষ হতে আর মাত্র দুই সপ্তাহ বাকী। বড়দের পাশাপাশি কচিকাঁচাদের কলরবেও মুখরিত হোক একুশে বইমেলা চত্বর।

(লেখাটি মিজানুর রহমান আজহারীর ফেসবুক পেজ থেকে নেয়া)

বিশ্বজুড়ে যেখানেই আপনি ভিক্ষুকের কোলে ছোট কোনো বাচ্চা দেখতে পাবেন, খেয়াল করলেই দেখবেন বাচ্চাটি ঘুমিয়ে আছে। কী বাংলাদেশ, আর কী ব্যাংকক, আমেরিকা। সারাবিশ্বেই ভিখারিদের এক অবস্থা।

কখনো কি মনে প্রশ্ন জেগেছে, ভিক্ষুকের কোলের বাচ্চাটি সবসময় ঘুমিয়ে থাকে কেন?

প্রতিবেদনে জানানো হয়, একটি অ্যালুমিনিয়ামের পাতিলের ভেতর টানা ছয় মাস আট-নয় বছরের এক শিশুকে জড়সড় করে আটকে রাখা হয়। সারাদিনে শুধু একবার সামান্য ভাত অথবা রুটি-পানি দেয়া হতো তাকে। এইভাবে দিনের পর দিন একটি পাতিলের ভিতর থাকতে থাকতে শিশুটি কঙ্কালসার হয়ে পড়ে। এরপর তাকে ভিক্ষাবৃত্তিতে ভাড়া দেয়া হয়।

এছাড়া অনেক শিশুকেই ধরে এনে কব্জি, পায়ের রগ, পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়ে অথবা বুকে, ঘাড়ে, মাথায় আঘাত করে অচল বানিয়ে দেয়া হতো। তারপর তাকে দিয়ে চলতো ভিক্ষার ব্যবসা। সারা বিশ্বেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়িয়ে অথবা তাদের সঙ্গে যোগসাজশ রেখেই এসব ব্যবসা চলে। তাই এদেরকে সামাজিকভাবে মোকাবেলা করতে হবে।

এখন থেকে কোলে শিশু নিয়ে থাকা কোনো ভিক্ষুককেই আর কখনো টাকা-পয়সা দান করবেন না। খাবার, পানি দিতে পারেন, কিন্তু টাকা-পয়সা কখনোই নয়। আপনার এই অভ্যাসে হয়তো বেঁচে যাবে কোনো একটি শিশুর প্রাণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

প্রধান সম্পাদক : ইঞ্জিনিয়র এ.কে,এম. কামরুজ্জামান, সম্পাদক : ইঞ্জিঃ শারমিন সুলতানা রূমা, বার্তা সম্পাদক : নবাব সালেহ আহমেদ, বিজ্ঞাপন সম্পাদক : মোজাম্মেল হক নাঈম, প্যানেল এডিটর : ড. মোঃ মোজাহেদুল ইসলাম মুজাহিদ, আব্দুল শামীম সেরনিয়াবাত, মোঃ আনোয়ার হোসেন, রাজিয়া সুলতানা স্মৃতি, আঞ্জমান আরা তন্নী, আফরোজা সুলতানা প্রধান উপদেষ্ঠা : ড. মোঃ জিয়াউর রহমান, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট। যোগাযোগ : আকমল ম্যানশন, ৮৯/১, কাকরাইল (দ্বিতীয় তলা), রমনা, ঢাকা-১০০০। ফোন : ৮৮ ০২ ৮৩৩৩৪১৬, সেল : ০১৯৭৩ ৩৭৭ ৭৭৯, ই-মেইল : tigernewsbd@gmail.com (News) ; chrm11bd@gmail.com (Admin)

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful