Templates by BIGtheme NET
ব্রেকিং নিউজ ❯
Home / সুন্দরবন সংবাদ / আর কত জাহাজ ডুবলে সরকারের টনক নড়বে!!!সুন্দরবনের পশুর নদে কয়লার জাহাজডুবি

আর কত জাহাজ ডুবলে সরকারের টনক নড়বে!!!সুন্দরবনের পশুর নদে কয়লার জাহাজডুবি

ফিরোজ হোসেন, রামপাল, বাগেরহাট:: আর কত জাহাজ ডুবলে সরকারের টনক নড়বে!!!সুন্দরবনের পশুর নদে কয়লা নিয়ে লাইটার জাহাজডুবি। সুন্দরবনের ভেতরে মোংলা সমুদ্রবন্দরের পশুর চ্যানেলে ৭৭৫ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে লাইটার জাহাজ গতকাল শনিবার রাতে ডুবে গেছে। পশুর নদের হাড়বাড়িয়া এলাকায় এমভি বিলাশ নামের ওই জাহাজটি  ডুবে যায়।

মোংলা বন্দর থেকে প্রায় ৬০ নটিক্যাল মাইল দূরে হাড়বাড়িয়ার ৫ নম্বর অ্যাংকারের কাছে লাইটারটি কাত হয়ে ডুবে আছে। এর কিছুটা দেখা যাচ্ছে। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

Sundar

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার মো. ওয়ালিউল্লাহ আজ রোববার দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, ডুবে যাওয়া ‘এমভি বিলাশ’ নামের জাহাজটি ৭৭৫ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে যাচ্ছিল। পথে ডুবো চরে ধাক্কা লেগে এটি ডুবে যায়।

লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী এমভি অবজারভেটর নামের একটি মাদার ভ্যাসেলে করে ইন্দোনেশিয়া থেকে ওই কয়লা আমদানি করেছে সাহারা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। মোংলা বন্দরের হাড়বাড়িয়া এলাকায় ৬ নম্বর অ্যাংকারে নোঙর করে জাহাজটি মাল খালাস করছিল। এর আগে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে কয়লা খালাস করে।

হারবার মাস্টারের ভাষ্য, আমদানি করা কয়লা ‘লো সালফার কোল’। এটি পানির ক্ষতি করে না। কার্গোটি যেখানে ডুবেছে, তা বন্দর চ্যানেলের অনেক বাইরে। তাই বন্দরের জাহাজ চলাচলেও কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

কয়লা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সাহারা এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপক (অপারেশন) মো. লালন হাওলাদার দুপুরে বলেন, ২৪ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে এমভি অবজারভেটর ১৩ এপ্রিল মোংলা বন্দরের হারবাড়িয়ার ৬ নম্বর অ্যাংকারে নোঙর করে। গতকাল সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মাদার ভ্যাসেলটি থেকে লাইটার জাহাজটিতে ৭৭৫ মেট্রিক টন কয়লা বোঝাই করা হয়। এটি ঢাকার মিরপুরের উদ্দেশে রওনা হয়ে হারবাড়িয়ার ৫ নম্বর অ্যাংকারে পৌঁছে ডুবো চরে আটকা পড়ে। ডুবে যাওয়া লাইটারটি এক হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার ছিল বলে দাবি করেন তিনি।

লাইটার ভ্যাসেলের মাস্টার ডুবো চর থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য মোংলা বন্দরের সাহায্য চায়। বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্ধারযানটি ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তবে লাইটার জাহাজটিকে রক্ষা করতে পারেনি।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মাহমুদুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, কার্গোটি যেখানে ডুবেছে, তা সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের হাড়বাড়িয়া টহল ফাঁড়ি ও ইকো-টুরিজম কেন্দ্রের কাছে। আমরা বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। লাইটার জাহাজটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

সেভ দ্য সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শেখ ফরিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিবছরই সুন্দরবনের মাঝে জাহাজ ডুবছে। এতে জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হচ্ছে। আগামী দিনে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে এ ধরনের প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশংকা প্রকাশ করেন তিনি।

পরিবেশ অধিদপ্তর বাগেরহাট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. এমদাদুল হক বেলা তিনটায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘কিছু আগে আমি বিষয়টি জানলাম। আমরা ওই স্থান থেকে পানি সংগ্রহ করে পরীক্ষা করব। খুলনায় স্যারকে ইনফর্ম করে ওখান থেকে পানির নমুনা নিয়ে ল্যাবে পরীক্ষার করব। এরপরই আসলে বলা যাবে। এর আগে কিছু বলা যাবে না।’

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক দিলীপ কুমার দত্ত প্রথম আলোকে বলেন, কয়লার সবচেয়ে বড় সমস্যা সালফারে। অনেক সময় কিছু হেভি ম্যাটার থাকতে পারে। এগুলোও ক্ষতি করে। এটি কোন ধরনের এবং কোন মানের কয়লা, তার ওপর নির্ভর করে কোন ধরনের ক্ষতি হতে পারে। সালফারটা পানিতে বেশি ক্ষতি করে।

দিলীপ কুমার দত্ত আরও বলেন, একটা ইকো-সিস্টেমে বাইরের যেকোনো কিছুই ক্ষতিকর। কয়লা তো বাইরের জিনিস।

হারবার মাস্টার ওয়ালিউল্লাহ বলেন, কয়লাবাহী লাইটার জাহাজ এমভি বিলাস আমাদের কাছে সাহায্য চায়। বন্দরের উদ্ধারযান এমভি শিপসা সেখানে পৌঁছে তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা করে। তবে রাত তিনটার দিকে জোয়ারের পানির তোড়ে কয়লাবোঝাই লাইটার ভ্যাসেলটি কাত হয়ে ডুবে যায়।

About admin

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful